,


সৈয়দপুরের প্রতিভাবান খেলোয়াড় মহিউদ্দিন রানু

সৈয়দপুরের প্রতিভাবান খেলোয়াড় মহিউদ্দিন রানু

সৈয়দপুর প্রতিনিধিঃ নীলফামারী জেলার একটি উপজেলা সৈয়দপুর। উপজেলা হলেও অন্যন্যা শহরের চেয়ে কোন ক্রমেই পিছিয়ে নেই শহরটি। সৈয়দপুরকে প্রতিভার শহর বললেও ভুল হবে না।

ক্রীড়া অঙ্গনে যেমন প্রশংসা কুড়িয়েছে সাদ্দাম,রবিউল,নওশাদের মতো খেলোয়াড়রা সেখান থেকে উঠে এসেছে আরেক উজ্জ্বল নক্ষত্র। ক্রিকেটের পর এবার ফুটবলেও সৈয়দপুরবাসী পেলো একজন প্রতিভাবান গোলকিপার। এতক্ষণ বলছিলাম সৈয়দপুরের গর্ব মহিউদ্দিন রানু’র কথা।

নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর শহরের বাশবাড়ি এলাকার বাসিন্দা মোঃ সালাউদ্দিনের ছোট ছেলে মহিউদ্দিন রানু। তিন ভাই ও এক বোনের মধ্যে ছোট রানু। রানুর বড় ভাই ফখরুদ্দিন সনু একসময় খেলতেন গোলরক্ষক হিসেবে।

মুলত বড় ভাইয়ের অনুপ্রেরণায় নিজেকে গোলরক্ষক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন তিনি। তাই তো আজ খেলছেন বাংলাদেশ ফুটবলের সর্বোচ্চ আসর বিপিএলে।

৬ ফুট ২ ইন্ঞ্চি লম্বা মহিউদ্দিন রানু দীর্ঘ দিন স্থানীয় “সৈয়দপুর ফুটবল একাডেমী ” তে অনুশীলন করেছে। পরর্বতীতে জেলা পর্যাযে বিভিন্ন বয়সভিত্তিক দলে খেলার সুযোগ পান।

২০১৮ সালের শুরুর দিকে সুযোগ পান আরামবাগ ক্রিড়া চক্রের হয়ে তবে সেখানে খেলেছেন মাত্র ৩ মাস। একই বছর এপ্রিলে জায়গা পান ব্রাদার্স ইউনিয়নের অনূর্ধ্ব ১৮ দলে। সেখানেই নিজেকে প্রমান করে অক্টোবরে জায়গা করে নেন মূল দলে।

অনূর্ধ্ব ১৮ দলে খেলতেন ১ নম্বর জার্সি পরে।বর্তমানে মূল দলে খেলছেন ২৫ নম্বর জার্সি পরে।

বাংলাদেশ ফুটবলের সর্বোচ্চ আসর বিপিএল ২০১৮-১৯ এ বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে ২৮ ফেব্রুয়ারি বসুন্ধরা কিংসের বিপক্ষে অভিষেক হয় সৈয়দপুরের এই তরুন গোলরক্ষকের।

পরর্বতীতে ৫ মার্চ গোপালগঞ্জে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা এসকেসি’র বিপক্ষে মাঠে দেখা যায় মহিউদ্দিন রানুকে। জার্মানির গোলকিপার মেনুয়েল পিটার নিউয়ার কে আইডল মেনে নিজেকে করতে চান আরও পরিনত ।

ফুটবলের পাশাপাশি ক্রিকেটেও ছিলেন তিনি বেশ পারদর্শী। পরিশেষে ফুটবল খেলাকেই বেছে নিলেন তিনি। সেই সাথে সৈয়দপুরবাসী পেলো ফুটবল জগতের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। মহিউদ্দিন রানুর মতো খেলোয়াড়রা আজ ফুটবল জগতের ছড়িয়ে দিচ্ছে সৈয়দপুরের নাম।

কথা হয় রানুর বড় ভাই ফখরুদ্দিন সনুর সাথে তিনি জানান, ছোট থেকেই ফুটবলের প্রতি ছিলো তার টান। তার স্বপ্ন ছিলো একজন ভালো মানের ফুটবলার হওয়ার । পরিবার থেকে সব সময় আমরা তাকে সমর্থন করতাম। আজ সে পরিশ্রম করে সফল হয়েছে। সৈয়দপুরের সন্তান রানুর জন্য আপনারা সকলে দোয়া করবেন সে জেনো তার নির্দিষ্ট লক্ষ্যে পৌছে সৈয়দপুরের নাম আনাচে কানাচে ছড়িয়ে দিতে পারে।

মহিউদ্দিন রানু জানান,স্বপ্ন দেখেন খেলবেন একদিন বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের হয়ে, অবদান রাখবেন বাংলাদেশের ফুটবলে। আর সেই স্বপ্নের বাস্তবায়নে তিনি সর্বচ্চো প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। প্রাণের সৈয়দপুরকে ছরিয়ে দিতে চান সর্বত্র। এজন্য তিনি সৈয়দপুরবাসী সহ গোটা দেশবাসীর কাছে দোয়া প্রার্থনা করেছেন।

Leave a Reply


এই বিভাগের আরো

%d bloggers like this: