,


নাটোর (Natore)

গুরুদাসপুরের হাটবাজারে পণ্যের দাম বৃদ্ধি

মো. আখলাকুজ্জামান, গুরুদাসপুরঃ পবিত্র মাহে রমজান মাস শুরু হওয়ার সাথে সাথে নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে বেড়েছে নিত্যপণ্যের দাম। ক্রেতারা বলছেন রোজার কারনে বিক্রেতারা দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন। বিক্রেতারা বলছেন পাইকারী বাজার দাম বেশি হওয়ায় খুচরা বাজারও একটু বেশি।

উপজেলার চাঁচকৈড় ও নাজিরপুর হাট ঘুরে দেখা গেছে, প্রতি কেজি ছোলা বিক্রি হচ্ছে ৭৫ থেকে ৮০ টাকা, মসুর এলসি ৬০ এবং দেশি ৯০ টাকা কেজি, চিনি ৫৫ টাকা, বিভিন্ন মানের খেজুর গুড় ২২০ থেকে ৮০০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।

অথচ কয়েকদিন আগে ছোলা ৬৫ থেকে ৭০ টাকা, এলসি মসুর ৫০ টাকা এবং দেশি মসুর ৮০ টাকা কেজি ছিল। তবে পেঁয়াজের দাম ৩৫ থেকে ৫ টাকা কমে ৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মঙ্গলবার চাঁচকৈড় হাটে দেশি মুরগি তেমন একটা পাওয়া যায়নি।

ফলে ৫০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে। তবে বয়লার ১৫০ টাকা এবং সোনালী জাতের মুরগি ২৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। গরুর মাংস ৬০০ টাকা এবং খাসির মাংশ ৮০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

কোথাও কোথাও ৫৫০ টাকা কেজি গরু এবং খাসি ৭৫০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। ৪০ টাকা লিটারের গরুর দুধ এখন ৬০ টাকা লিটার বিক্রি হচ্ছে। বেড়েছে কলা, শসার দামও। ২০ টাকা হালি দরের কলা এখন ২৮ থেকে ৩২ টাকা হালি বিক্রি হচ্ছে।

যোগেন্দ্রনগর এলাকার কৃষক আনার হোসেন বলেন, এভাবে নিত্যপণ্যের দাম বাড়ায় আমাদের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে।

বিয়াঘাট গ্রামের মকবুল হোসেন বলেন, চাঁচকৈড় হাটে নজিরবিহীনভাবে বিভিন্ন পণ্যের দাম বেড়েছে। মুদি ব্যবসায়ী মদন কুন্ডু বলেন, তেল, চিনির দাম বাড়েনি। তবে এলাচ ও দারচিনির দাম বেড়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কসাই জানান, যেমন দামে কেনা তেমন দামে বিক্রি করছেন।

এ প্রসঙ্গে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান বলেন, পণ্যের বাজার সহনীয় রাখতে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের নিয়ে মতবিনিময় করেছি।

তাছাড়া সর্বদা বাজার মনিটরিং ব্যবস্থা জোরদার করা হচ্ছে। তবে মেয়াদোত্তীর্ণ খেজুর বা যেকোন পণ্য বিক্রির অভিযোগ পেলে ছাড় দেয়া হবেনা।

Leave a Reply


এই বিভাগের আরো

%d bloggers like this: