,


জনদুর্ভোগ নিরসনে চেয়ারম্যানের নিজস্ব অর্থায়নে সাঁকো নির্মাণ
জনদুর্ভোগ নিরসনে চেয়ারম্যানের নিজস্ব অর্থায়নে সাঁকো নির্মাণ

জনদুর্ভোগ নিরসনে চেয়ারম্যানের নিজস্ব অর্থায়নে সাঁকো নির্মাণ

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ কুড়িগ্রাম সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আমান উদ্দিন আহমেদ মঞ্জু নিজস্ব অর্থায়নে শুলকুর বাজার এলাকায় মরা ধরলা নদীতে বাঁশের সাকো তৈরী করে দিয়ে অবৈধ চাঁদা উত্তোলন বন্ধ করে দিয়েছেন। তার এ উদ্যোগের সুফল পাচ্ছে চারটি ইউনিয়নের প্রায় লক্ষাধিক মানুষ।
সরেজমিনে খোঁজ খবর নিয়ে জানা গেছে, কুড়িগ্রাম থেকে যাত্রাপুর পর্যন্ত সড়কের শুলকুর বাজার নামক স্থানে মরা ধরলা নদীর উপর পূর্বে নির্মিত ঝুঁকিপূর্ণ সেতুটি ভেঙ্গে ফেলে নতুন সেতু নির্মানের কাজ অব্যাহত রয়েছে। এমতাবস্থায় চলতি বর্ষা মৌসুমে নদীর পানি বেড়ে সেতুটির বিকল্প বালুর তৈরি রাস্তাটির মধ্যস্থল ভেঙ্গে যায়। এরই সুযোগ নিয়ে এলাকার কিছু টাউট বাটপার ওই ভাঙ্গা স্থান পাড়াপাড়ের জন্য চারটি ইউনিয়ন যথাক্রমে পাঁচগাছী, যাত্রাপুর, ঘোগাদহ এবং বেগমগঞ্জ ইউনিয়নের প্রত্যেক পথযাত্রীর কাছ থেকে চাঁদা আদায় করে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয়। সেই চাঁদার টাকার ভাগ বাটোয়ারা নিয়ে গত ২৭ জুন সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
এ খবর পেয়ে কুড়িগ্রাম সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ঘটনা স্থলে গিয়ে নিজস্ব অর্থায়নে ভাঙ্গা রাস্তার উপর বাঁশের সাকো তৈরি করে পথযাত্রীর কাছ থেকে চাঁদা আদায় বন্ধ করে দেন।
এ ব্যাপারে কথা হলে কুড়িগ্রাম সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আমান উদ্দিন আহমেদ মঞ্জু বলেন, এলাকাবাসীর দুর্ভোগ নিরসনে এতটুকু করতে পেয়ে আমি গর্বিত। জনদুর্ভোগ নিরসনেই আমার কাজ। আর যাতে কেউ জনদুর্ভোগকে পুঁজি করে অবৈধ চাঁদা আদায় করতে না পারে সেজন্য সজাগ আছি।

Leave a Reply


এই বিভাগের আরো

%d bloggers like this: