,


রাজারহাটের মেধাবী ছাত্র তাওহীদের চিকিৎসায় প্রধানমন্ত্রীর অনুদান

রাজারহাটের মেধাবী ছাত্র তাওহীদের চিকিৎসায় প্রধানমন্ত্রীর অনুদান

রাজারহাট (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধিঃ রাজারহাট উপজেলার ছিনাই ইউনিয়নের মীরেরবাড়ী এলাকার বাসিন্দা ইয়াকুব আলীর পুত্র মেধাবী ছাত্র তাওহীদুর রহমান উৎস (১৭) দীর্ঘদিন ধরে পিটুইটারি গ্রন্থিতে হরমন জনিত সমস্যা ও ব্রেইন টিউমারে আক্রান্ত। তাওহীদের পিতা এনজিওতে চাকুরি করে কোন রকমে পরিবারের ভরন পোষন চালিয়ে আসছিল।

সম্প্রতি ওই এনজিওর প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় বর্তমান তিনি বেকার জীবন যাপন করছেন। এ অবস্থায় তার পক্ষে ছেলের সু-চিকিৎসা অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। পরে তিনি ছেলের চিকিৎসার জন্য প্রধানমন্ত্রী বরাবরে আর্থিক সহায়তা চেয়ে আবেদন করেন।

গত ৩০ জুন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁর ত্রাণ তহবিল থেকে তাওহীদের চিকিৎসার জন্য এক লাখ টাকা অনুদানের চেক প্রদান করেন। জানা যায়, সে অসুস্থ অবস্থায় ২০১৯ সালের এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে জিপিএ ৪.৫০ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়।

এসএস সির ফলাফল প্রকাশের পর তাওহীদের অসুস্থ্যতা প্রকট হতে থাকে। দেশের চিকিৎসকরাও তাকে দেশের বাইরে চিকিৎসা করার পরামর্শ দেন। কিন্তু তাঁর দরিদ্র বেকার পিতার পক্ষে এ ব্যয়বহুল চিকিৎসার খরচ বহন করা সম্ভব নয়। তাই এলাকাবাসির পরামর্শে তাওহীদ ও তাঁর পিতা শরণাপন্ন হন প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব এবিএম সরওয়ার-ই-আলম সরকার এর কাছে।

মেধাবী কিশোর তাওহীদের অসুস্থতার বিষয়টি অত্যন্ত সহানুভূতির সঙ্গে বিবেচনা করে প্রধানমন্ত্রী বরাবর আবেদন করতে পরামর্শ দেন। এরই প্রেক্ষিতে গত জুনের প্রথম সপ্তাহে প্রধানমন্ত্রী বরাবরে আর্থিক সাহায্যের আবেদন করে তাওহীদের পিতা।

প্রধানমন্ত্রী আবেদন পত্রটি প্রাপ্তির সঙ্গে সঙ্গেই তাওহীদের উন্নত চিকিৎসার জন্য সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন। তিনি অনতিবিলম্বে তাওহীদের অনুকূলে এক লাখ টাকার আর্থিক সহায়তা অনুমোদন করেন।

০১-০৭-১৯ খ্রিঃ সকাল ১১ঘটিকায় তাওহীদ ও তাঁর পিতা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব এবিএম সরওয়ার-ই-আলম সরকার এর নিকট হতে চেকটি গ্রহণ করেন।

প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে জীবন বাঁচার টাকা পেয়ে আবেগ- আপ্লুত হয়ে তাওহীদ বলেন, “মানবতার মা হিসেবে প্রধানমন্ত্রী আমার জীবন বাঁচাতে সহযোগিতা করেছেন- জীবনে এর চেয়ে বড় কোনো পাওয়া নেই”। সে ও তার পরিবারের সদস্যরা প্রধানমন্ত্রীর সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করেছেন।

Leave a Reply


এই বিভাগের আরো

%d bloggers like this: