,


প্রযোজকদের স্বার্থ রক্ষায় কাজ করবেন : হুমায়ুন কবির সুজন
প্রযোজকদের স্বার্থ রক্ষায় কাজ করবেন : হুমায়ুন কবির সুজন

প্রযোজকদের স্বার্থ রক্ষায় কাজ করবেন : হুমায়ুন কবির সুজন

বিনোদন প্রতিনিধিঃ দীর্ঘদিন পর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে চলচ্চিত্রের মাদার অরগানাইজেশন বলে যে সংগঠনটি পরিচিত তার নির্বাচন। বলা হচ্ছে চলচ্চিত্র প্রযোজক সমিতির নির্বাচনের কথা। আগামী ২৭ জুলাই সাত বছর পর এই সংগঠনটির নির্বাচন হবে। নির্বাচন উপলক্ষে এফডিসি যেন ফিরে পেয়েছে পুরো যৌবন। কারণ এই সমিতির সদস্য এবং প্রার্থীদের আনাগোনায় মুখরিত হয়ে উঠেছে চলচ্চিত্রের এই আতুর ঘর। ইতোমধ্যেই এই খবর জানার আর বাকি নেই চলচ্চিত্রপ্রেমীদের।

সাত বছর পর এই নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করতে চলেছেন মোট ৪৩ জন প্রার্থী। যদিও ফরম বিক্রি হয়েছিল ৪৬ টি। তবে ফরম তুলেও নির্বাচন না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিন প্রযোজক। এই তিন প্রযোজকের মধ্যে আছেন দুইজন নাম জাদা অভিনয় শিল্পীও। তারা হলেন জনপ্রিয় অভিনেতা আলমগীর এবং জয়া আহসান। তাছাড়া গাজীপুরের একজন প্রযোজক।

এবারের নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন রাজনিতীবিদ, প্রযোজক ও অভিনেতা হুমায়ন কবির সুজন। নির্বাচনে অংশ নিয়ে বেশ আশাবাদী। তিনি বললেন, আমাদের চলচ্চিত্রে অনেক সমস্যা আছে আমরা জানি। এসব সমস্যা দূর করতে পারলে নতুন প্রযোজকরা আবার বিনিয়োগে করতে উৎসাহিত হবে। পেশাদার প্রযোজকরা আবার ছবি নির্মাণ করবেন। তখন ফিল্ম ঘুরে দাঁড়াবে। তাই প্রযোজকের স্বার্থ রক্ষায় সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো।
তিনি আরো বলেন, প্রযোজক সমিতির নির্বাচনে জয় পেলে চলচ্চিত্রের উন্নয়ন ও প্রযোজকদের স্বার্থ রক্ষায় যা যা করা দরকার হবে তাই তাই করবো। প্রযোজক যেন লগ্নিকৃত আসল টাকা ফিরে পান সেটা আগে দেখবো।
এর আগে তার প্রযোজিত ছবি ‘খাস জমিন’ মুক্তি পেয়েছিলো, ছবিটি সংশ্লিষ্ট সকলের মুখে হাসি ফুটিয়েছে। এখন শুরু করছেন আনোয়ার শিকদার টিটন কে দিয়ে” মিষ্টি প্রেমের ছোঁয়া “চলচ্চিত্র।
এবারের নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার অর্থাৎ নির্বাচন বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মিরাজুল ইসলাম উকিল। সদস্য হিসেবে থাকবেন মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন (উপসচিব), মো. খাদেমুল ইসলাম (সহকারী প্রোগ্রামার)। আপিল বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে থাকবেন আবদুর রহিম খান (যুগ্ম সচিব), সদস্য আব্দুছ সামাদ আল আজাদ (যুগ্মসচিব), সৈয়দা নাহিদা হাবিবা (উপসচিব)।
উল্লেখ্য, এই সমিতির সর্বশেষ নির্বাচন হয় ২০১১ সালের ১৮ই আগস্ট। এরপর কমিটির মধ্যে নানা জটিলতার কারণে আর নির্বাচন হয়নি। দীর্ঘ সময় সরকারি প্রশাসক দিয়ে চলছিল এই সমিতি।

Leave a Reply


এই বিভাগের আরো

%d bloggers like this: