,


রাজশাহী সিল্কের গল্প
রাজশাহী সিল্কের গল্প

রাজশাহী সিল্কের গল্প

ডেস্ক রিপোর্টারঃ নবাব মুর্শিদকুলী খাঁ ১৭২২ সালে সমগ্র বাংলাকে মোট ২৫টি জমিদারিতে বিভক্ত করেছিলেন। রাজশাহী জমিদারি ছিল এগুলোর মধ্যে অন্যতম। কালক্রমে রাজশাহী জমিদারির বিস্তৃতি ও ব্যাপ্তি দাঁড়ায় সর্বোচ্চ ১২ হাজার ৯০৯ বর্গমাইলে। ১৭৬৫ সালে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি বাংলার দেওয়ানি লাভ করে এবং রাজস্ব আদায়ের জন্য ক্ষমতাবান হয়। ১৭৬৯ সালে কোম্পানি বাংলার বড় জমিদারিগুলোর রাজস্ব আদায়ে পদক্ষেপ নেয়। এ সময় রাজশাহী জমিদারির সদর দপ্তর ছিল নাটোর শহরে।

কোম্পানি ১৭৮৬ সালে কয়েকটি জমিদারি অঞ্চলকে জেলা সৃষ্টি করে কালেক্টরেট গঠন করে। এর সূত্র ধরে রাজশাহী জেলা হয়ে ওঠে। এ জেলার সামগ্রিক সীমানা ছিল বর্তমান মুর্শিদাবাদ জেলার একটি বড় অংশসহ মালদহের নবাবগঞ্জ ও গোমস্তাপুর উপজেলা এলাকা।

এরও কয়েক শ বছর আগে থেকে বর্তমান রাজশাহীসহ মুর্শিদাবাদ ও মালদহের বিভিন্ন অঞ্চলে রেশমশিল্পের বিকাশ ঘটেছিল। মুর্শিদাবাদ জেলার ভৈরব–তীরবর্তী বর্তমান সময়ের ইসলামপুর, বহরমপুর ও হরিহরপাড়া থানা এলাকার কয়েকটি গ্রামে রেশম বয়নশিল্পের সমৃদ্ধি ঘটেছিল। এই স্থানগুলো ছিল রাজশাহী জমিদারি, তথা রাজশাহী জেলার অধীনে।

রাজশাহী, মালদহ ও মুর্শিদাবাদের রেশমশিল্পের ওপর নির্ভরশীল হয়ে রেশমজাত পণ্যের প্রধান ক্রেতা ইউরোপের ওলন্দাজ, ফরাসি, ইংরেজ ও আর্মেনীয় ব্যবসায়ীরা ভাগীরথী–তীরবর্তী কাশিমবাজারে রেশমের সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক কুঠি নির্মাণ করেছিল ১৬৫৮ সালে। ওই ইউরোপীয় ব্যবসায়ীরা বাংলার বিভিন্ন এলাকায় উৎপন্ন, বিশেষ করে তৎকালীন রাজশাহীর অসংখ্য স্থানে প্রস্তুতকৃত রেশমি সুতা ও বস্ত্রাদি সংগ্রহ করে ইউরোপসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে রপ্তানি করত। এদের মাধ্যমে এই পণ্যের নামকরণ হয়েছিল বেঙ্গল সিল্ক।

পরবর্তী সময়ে রাজশাহী সিল্ক এবং মুর্শিদাবাদ সিল্ক নামেও এটি বিশেষভাবে পরিচিতি লাভ করেছে। সপ্তদশ ও অষ্টাদশ শতাব্দীতে বিশাল রাজশাহী অঞ্চলে গড়ে উঠেছিল সমৃদ্ধ রেশমশিল্প। এর পাশাপাশি মালদহ (নবাবগঞ্জ ও রহনপুর) এবং মুর্শিদাবাদ জেলার ভৈরব–তীরবর্তী উল্লিখিত এলাকায় উৎপাদিত রেশমপণ্যগুলোও ঐতিহ্যবাহী রাজশাহী সিল্ক হিসেবেই বিদেশের বাজারে পরিচিতি পেয়ে এসেছে। কারণ, ওই এলাকাগুলো ছিল রাজশাহী জেলার অন্তর্ভুক্ত।

১৮১৩ সালে দিনাজপুর, পুর্নিয়া ও রাজশাহী জেলার বিভিন্ন থানার সমন্বয়ে মালদহ জেলা গঠিত হয়। এর আগে মালদহ থানা দিনাজপুর জেলার অংশ ছিল। শিবগঞ্জ ও ভোলাহাট ছিল পুর্নিয়া জেলার মধ্যে এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও রহনপুর ছিল রাজশাহী জেলার অন্তর্ভুক্ত। ১৮১৩ সালে গঠিত মালদহ জেলা ছিল রেশম ও রেশমজাত পণ্য উৎপাদনে অগ্রগণ্য। জেলার মালদহ সদর, ভোলাহাট, শিবগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জসহ আরও কয়েকটি এলাকা রেশমি সুতা ও কাপড় উৎপাদনের জন্য বিশেষ খ্যাতি লাভ করেছিল। জেলার বিভিন্ন স্থানে ইংরেজ, ফরাসি ও ওলন্দাজ বণিকেরা সপ্তদশ শতাব্দী থেকেই তাদের বাণিজ্যিক কুঠি স্থাপন করেছিল। ১৬৮৬ সালে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি মালদহ শহরের ইংরেজ বাজারে বাণিজ্যিক কুঠি স্থাপন করে।

১৯৪৭ সালে দেশভাগের পর চাঁপাইনবাবগঞ্জ, শিবগঞ্জ, ভোলাহাট, রহনপুর থানাগুলো পূর্ব পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্ত হয়। স্বাভাবিকভাবে রাজশাহী জেলার সিল্কের প্রাচীন ঐতিহ্যের সঙ্গে যুক্ত হলো মালদহ জেলা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে আসা রেশম ঐতিহ্য বহনকারী থানাগুলো।

রাজশাহী জেলা প্রাচীনকাল থেকেই রেশম ও রেশমজাত পণ্য উৎপাদন এবং রপ্তানিতে ভারতবর্ষের যেকোনো অঞ্চলের তুলনায় শীর্ষ স্থানে অবস্থান করে এসেছে। এ প্রসঙ্গে ব্রিটিশ ঐতিহাসিক হান্টার বলেন, ‘রাজশাহী জেলায় রেশম সুতা প্রস্তুত এবং রেশম বস্ত্র বয়ন বহু শতাব্দী পূর্ব থেকেই হয়ে আসছে।’ মোগল আমলে শিল্পটি পৃষ্ঠপোষকতা পেয়ে এগিয়ে যায়। ইতিমধ্যে ইউরোপীয় বণিকদের আগমন ঘটে রাজশাহীতে। ওলন্দাজ বণিকেরা রাজশাহী শহরে গঙ্গার (পদ্মা) তীরে একটি বাণিজ্যিক কুঠি স্থাপন করে। যেটি পরবর্তী সময়ে বড় কুঠি নামে অভিহিত হয়।

রেশমের ব্যবসার জন্য রাজশাহী শহরের পদ্মার তীরে ওলন্দাজ বণিকেরা তৈরি করেছিল একটি বাণিজ্যিক কুঠি। পরে সেটি পরিচিত হয় বড় কুঠি নামে। ছবি: শহীদুল ইসলাম
রেশমের ব্যবসার জন্য রাজশাহী শহরের পদ্মার তীরে ওলন্দাজ বণিকেরা তৈরি করেছিল একটি বাণিজ্যিক কুঠি। পরে সেটি পরিচিত হয় বড় কুঠি নামে। ছবি: শহীদুল ইসলাম
রাজশাহীর সিল্ক সম্পর্কে এ পর্যন্ত পাওয়া সবচেয়ে পুরোনো দালিলিক তথ্য–প্রমাণের মধ্যে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির দুজন কর্মকর্তার পাঠানো দুটি প্রতিবেদন বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। প্রথমটি হলওয়েল কর্তৃক ১৭৫৯ সালের লেখা থেকে রাজশাহীর কালেক্টর ও’ম্যালার উদ্ধৃতি তুলে ধরছি, ‘১৭৫৯ সালে মিস্টার হলওয়েল লিখেছেন, মোট ছয় ধরনের রেশম বস্ত্র এবং সুতা নাটোর থেকে ইউরোপসহ বসরা, মক্কা, জেদ্দা, পেগু, আচিন ও মালাক্কার বাজারে রপ্তানি করা হতো।’

দ্বিতীয় রিপোর্টটি ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির প্রধান সেরেস্তাদার জেমস গ্রান্ট কর্তৃক ২৮ ফেব্রুয়ারি ১৭৮৮ সালে সদর দপ্তর ফোর্ট উইলিয়াম কলকাতায় প্রেরিত। ইতিহাসে এটি Mr. James Grant’s Analysis of the Finances of Bengal নামে পরিচিত। ‘ফিফথ রিপোর্ট’ নামক ১৮১২ সালে প্রকাশিত গ্রন্থের ২৫৯ পৃষ্ঠায় রাজশাহী সিল্ক সম্পর্কে বর্ণনার কিয়দংশ তুলে ধরা হলো, ‘Rajeshahy, the most unwieldy extensive Zemindarry of Bengal, or perhaps in India; intersected in its whole length by the great Ganges or lesser branches, with many other navigable rivers and fertilizing waters, producting within the limit of its Jurisdiction, at least four-fifths of all the silk, raw or manufactured, used in or exported from the effeminated luxurious empire of Hindostan’.

অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষ দিকে দেওয়া এই রিপোর্ট রাজশাহী সিল্কের গৌরবগাঁথার একটি অনন্য প্রামাণিক দলিল হিসেবে স্বীকৃত। ইউরোপীয় বণিকেরা এ দেশে ব্যাপকভাবে আসা শুরু করে সপ্তদশ শতাব্দী থেকে। এরা আসার আগে বাংলাদেশে গ্রামকেন্দ্রিক অসংখ্য বাজার–বন্দরে দেশীয় কৃষিজাত ও কুটিরশিল্পজাত দ্রব্যাদির বেচাকেনা চলত। বৃহত্তর রাজশাহীতে বোয়ালিয়া, নাটোর, তাহিরপুর, মীরগঞ্জ, চারঘাট, কাপাশিয়া এসব নদীবন্দর রেশম ও কার্পাস সুতা এবং বস্ত্র কেনাবেচার জন্য বিখ্যাত ছিল।

অষ্টাদশ শতাব্দী থেকে ঊনবিংশ শতাব্দী পর্যন্ত, বিশেষ করে রেশমের সুতা প্রস্তুত করার ক্ষেত্রে ‘বোয়ালিয়া’ ছিল উত্তরবঙ্গের মধ্যে একমাত্র বাণিজ্যকেন্দ্র।

রাজশাহীর বোয়ালিয়া বন্দরকে কেন্দ্র করে বিস্তৃত অঞ্চল জুড়ে তুঁতের চাষ হতো। গঙ্গা (পদ্মা)–তীরবর্তী বোয়ালিয়ায় ওলন্দাজদের বাণিজ্যিক কুঠিটি তৈরি হয়েছিল মূলত রেশমের কারবারের জন্যই। এটি ছিল এই শহরের প্রথম বড় পাকা স্থাপনা। সম্ভবত আঠারো শতকের প্রথম দিকে এটি স্থাপিত হয়। পলাশী যুদ্ধের পরে ইংরেজ ব্যবসায়ীরা বাণিজ্যিক কুঠিটির দখল পেয়েছিল। ওলন্দাজরা গঙ্গা–তীরবর্তী রাজশাহী জেলার সারদাতে ১৭৮০ থেকে ১৭৯০ খ্রিষ্টাব্দের মধ্যে ফ্যাক্টরিসহ বৃহদাকারের বাণিজ্যিক কুঠি নির্মাণ করে রেশমের পাশাপাশি নীলের ব্যবসা শুরু করে। ১৮২৫ সালে ডাচদের (ওলন্দাজ) কাছ থেকে সারদার ফ্যাক্টরি এবং কুঠি ইংরেজ ব্যবসায়ীরা চুক্তির ভিত্তিতে পেয়ে রেশম ও নীলের কারবার শুরু করে। রবার্ট ওয়াটসন অ্যান্ড কোম্পানি এ সময়ে রাজশাহীতে প্রায় একচেটিয়া রেশম ও নীলের ব্যবসায় নিয়োজিত ছিল। এই কোম্পানির আওতাধীন বৃহত্তর রাজশাহীসহ কাছাকাছি অঞ্চলে ১৫২টি রেশম ও নীলকুঠি ছিল। রেশমকুঠিগুলো ছিল পদ্মা, বড়াল, নারদ, হোজা, মুসাখান, আত্রাই, ইছামতী, বারাহী, বারনই এসব নদ–নদীর তীরে। ওলন্দাজদের পরে ফরাসি ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির ব্যবসায়ীরা রাজশাহীতে প্রথম দিকে কোনো বাণিজ্যিক কুঠি স্থাপন করেনি। তবে একটি কারখানা স্থাপনপূর্বক দেশীয় রেশমের সুতা প্রস্তুত, ক্রয় ইত্যাদির কারবার শুরু করে। ওলন্দাজ ও ডাচদের পরে ইংরেজরা রাজশাহীতে এসে রেশম ব্যবসায় আধিপত্য বিস্তার করে। ইংরেজি ১৮৭১ সালে রাজশাহীর তৎকালীন কালেক্টর জে এস কার্সটেয়ারসের দেওয়া রিপোর্ট থেকে জানা যায় যে মেসার্স ওয়াটসন অ্যান্ড কোম্পানির কারখানায় ৮ হাজার থেকে ৯ হাজার লোক দৈনিক রেশমগুটি থেকে সুতা প্রস্তুত করত। কারখানায় প্রতিবছর ১৬ থেকে ১৭ লাখ পাউন্ড মূলধন বিনিয়োগ হতো। তৎকালীন রাজশাহী জেলায় ইউরোপীয় এবং দেশি কারখানাগুলোতে ৫ হাজার মণ বা ১৮০ টন কাঁচা সিল্ক উৎপাদিত হতো, যার মূল্য ছিল ৩৭ লাখ পাউন্ড।

মেসার্স ওয়াটসন কোম্পানির পরে মেদিনীপুর জমিদারি কোম্পানি এবং সবশেষে বেঙ্গল সিল্ক কোম্পানি রাজশাহীতে বড় কুঠিকে কেন্দ্র করে রেশমের ব্যবসা পরিচালনা করে। এর পাশাপাশি দুটি ফরাসি কোম্পানি মেসার্স এন্ডারসন ও মেসার্স লুই পেইন অ্যান্ড কোম্পানি রাজশাহীতে রেশমের কারবার পরিচালনা করে।

১৮৮৮ সালে ওই তিন কোম্পানির রাজশাহীতে মোট ১৪টি কারখানায় উৎপাদিত রেশমি সুতার পরিমাণ ছিল ১ লাখ ৫৫ হাজার ৪৫২ পাউন্ড। বেঙ্গল সিল্ক কোম্পানির বোয়ালিয়ার বড় কুঠিসহ ছিল ১০টি বাণিজ্যিক কুঠি। পক্ষান্তরে মেসার্স লুই পেইন অ্যান্ড কোম্পানির ছিল ৩টি বাণিজ্যিক কুঠি। এগুলো হলো কাজলা, খোজাপুর ও সাহেবগঞ্জে। পরবর্তী সময়ে খোজাপুর ও সাহেবগঞ্জের কুঠি পদ্মার গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। মেসার্স এন্ডারসন কোম্পানির একমাত্র কুঠিটি শিরইলে ছিল, যার চিহ্ন এখনো রয়ে গেছে।

অষ্টাদশ ও ঊনবিংশ শতাব্দীতে বোয়ালিয়া শহর ও সন্নিহিত এলাকায় স্থানীয় ব্যবসায়ীরা ছোট ছোট দেশীয় কোম্পানি গঠন করে কুঠি ও আড়ত স্থাপন করে ইউরোপীয় কোম্পানিগুলোর মাধ্যমে রেশমসুতা ও রেশমজাত পণ্যের ব্যবসা পরিচালনা করত। দেশি এসব ব্যবসায়ীর মধ্যে ১৯ জন ব্যবসায়ীর নামের একটি তালিকা পাওয়া যায়—

১. খাঁ সাহেব সাগরপাড়া ও রেশমপট্টিতে কুঠি ছিল
২. গদু বাবু রেশমপট্টিতে কুঠি ছিল
৩. জয় রাম সিংহ ও রাম রতন সিংহ ভারতী সপুরাতে মঠ ও কুঠি স্থাপন করেন
৪. দুলাল সাহা সপুরাতে কুঠি ছিল
৫. রাম রতন ও মদন গোপাল মাড়োয়ারিপট্টির কুঠি ও আড়ত
৬. নগেন দাস ও ফুল চাঁদ রেশমপট্টিতে কুঠি
৭. লাল বিহারি শিরোইলে কুঠি
৮. খেতু বাবু আলুপট্টিতে কুঠি
৯. কার্তিক সাহা সপুরাতে কুঠি ও আড়ত
১০. কোকারাম মণ্ডল বায়া বাজারের কাছে কুঠি
১১. অনাথবসু মণ্ডল মির্জাপুরে কুঠি ও কারখানা
১২. এনায়েত মণ্ডল বোয়ালিয়াতে কুঠি ও কারখানা
১৩. নবির উদ্দীন সংসাদীপুরে কুঠি ও কারখানা
১৪. হরেকৃষ্ণ সরকার খোজাপুরে কুঠি ও কারখানা
১৫. মোহাম্মদ নুরুদ্দীন বশরীতে কুঠি ও কারখানা
১৬. শাহবাজ তালুকদার কাপাশিয়াতে কুঠি ও আড়ত
১৭. হাজি নফরুদ্দীন মণ্ডল মহানন্দখালীতে কুঠি ও আড়ত
১৮. মিয়াজান রেশমপট্টিতে আড়ত
১৯. হাজি মনিরুদ্দীন সপুরাতে আড়ত

রাজশাহী সিল্কের বিশালত্বের তুলনায় এসব বর্ণনা অতি সামান্য। তবু যেটুকু আলোচনা হয়েছে, তাতে বর্তমান বাংলাদেশে রেশমের চাষ, এর বিস্তার ও ব্যবসা-বাণিজ্যের যে ঐতিহাসিক পরম্পরা, সেটি ধারণ করে এই শিল্পকে এককভাবে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার কৃতিত্ব বৃহত্তর রাজশাহী জেলার।

Leave a Reply


এই বিভাগের আরো

%d bloggers like this: