,


মুন্সিগঞ্জের বেদে পল্লীতে ‘আইডিএলসি-আলোকিত শিশু’ স্কুলের উদ্বোধন
মুন্সিগঞ্জের বেদে পল্লীতে ‘আইডিএলসি-আলোকিত শিশু’ স্কুলের উদ্বোধন

মুন্সিগঞ্জের বেদে পল্লীতে ‘আইডিএলসি-আলোকিত শিশু’ স্কুলের উদ্বোধন

মোহাম্মদ অংকন,ঢাকাঃ মুন্সিগঞ্জের মালখানগরের বেদে পল্লীর সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য উদ্বোধন হলো ‘মুন্সিগঞ্জ আইডিএলসি-আলোকিত শিশু’ স্কুল। ১১ জুলাই বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টায় এক উৎসব মুখর পরিবেশে স্কুলটি উদ্বোধন হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আইডিএলসি ফাইন্যান্স লিমিটেডের পরিচালক আরিফ খান। আরোও উপস্থিত ছিলেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী শবনম ফারিয়া, আলোকিত শিশু’র প্রতিষ্ঠাতা মিথুন দাস কাব্ব্য। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, স্কুলটির শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকবৃন্দ।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটি আলোকিত শিশু’র প্রতিষ্ঠাতা মিথুন দাস কাব্ব্যের বক্তব্যের মধ্য দিয়ে শুরু হয়। তিনি বলেন, ‘এটা আমার বিশ্বাস যে বাংলাদেশে প্রতিটি শিশুর শিক্ষার সমান সুযোগ দরকার। আমরা সেই সুযোগ সবাইকে সমানভাবে প্রদান করতে চাই। এ লক্ষ্যে আলোকিত শিশু কাজ করে যাচ্ছে। আমরা এমন স্বপ্ন দেখি বাংলাদেশের প্রতিটি শিশু শিক্ষার সুযোগ পাবে। আজকের শিশুই আগামীর বাংলাদেশ।’ তিনি আরোও বলেন, ‘এই উদ্যোগটি আইডিএলসি-এর বিশেষ সিএসআর প্ল্যাটফর্ম ‘খুশির খেয়া’র অংশ হিসাবে নেওয়া হয়েছে। আমাদের আলোকিত শিশু’র বেদে সম্প্রদায়ের এ স্কুলটিতে তাদের সাহায্যে আমরা বিশেষভাবে কৃতজ্ঞ। আমরা ভবিষ্যতে এভাবে একসাথে কাজ করে যেতে চাই। প্রধান অতিথির বক্তব্যে আরিফ খান জানান, ‘এমন সব উদ্যোগের পাশে রয়েছে আইডিএলসি ফাইন্যান্স লিমিটেড। ভবিষতে এভাবে কাজ করে যাওয়ারও আশা ব্যক্ত করি।’

একপর্যায়ে একজন দালিত ছাত্রীকে নিয়ে বানানো একটি তথ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। অনুষ্ঠানটিতে শিক্ষার্থীরা কবিতা পাঠ এবং নাচ প্রদর্শন করে। আইডিএলসি ফাইন্যান্স লিমিটেড সকল শিক্ষার্থীদের স্কুল ব্যাগ এবং আলোকিত শিশু শিক্ষার্থীদের টি-শার্ট বিতরণ করেছে। স্কুলটি বেদে সম্প্রদায় শিশুদের জন্য তৈরী করা হয়েছে। তারা সাধারণ মানষের থেকে বিচ্যুৎ। সুযোগ সুবিধা পায় না। পায় না কোনো শিক্ষার সুযোগও। তাদের শিক্ষা নিশ্চিত করতে আলোকিত শিশু কাজ করে যাচ্ছে নিরলসভাবে। এটি আইডিএলসি ফাইন্যন্স লিমিটেড’র সহায়তায় স্কুলটি তৈরী করা হয়।

আলোকিত শিশু স্কুলের শিক্ষার্থী মুমু বলে, ‘আমরা ইস্কুলে এতো দিন নদীর পাড়ে ক্লাস করতাম। এখন আমাদের একটা সুন্দর স্কুল হয়েছে। আমরা প্রতিদিন এখন ক্লাস করবো। আর গরম লাগবে না।’

Leave a Reply


এই বিভাগের আরো

%d bloggers like this: