,


গাইবান্ধায় পর্যাপ্ত ত্রাণ বিতরণের দাবিতে ভালোবাসি গাইবান্ধার মানববন্ধন

গাইবান্ধায় পর্যাপ্ত ত্রাণ বিতরণের দাবিতে ভালোবাসি গাইবান্ধার মানববন্ধন

গাইবান্ধা প্রতিনিধিঃ  গাইবান্ধায় বন্যাকবলিত প্রায় ছয় লাখ মানুষের মধ্যে পর্যাপ্ত ত্রাণ বিতরণ এবং নদীভাঙ্গনরোধে দ্রুত ও স্থায়ী উদ্যোগ গ্রহনের দাবিতে ঢাকাস্থ স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ভালোবাসি গাইবান্ধা’র উদ্যোগে বুধবার সকালে ঢাকায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন করা হয়েছে। সংগঠনের সভাপতি গোলাম আশিক যাদুর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন গাইবান্ধা সন্ধানী ডোনার ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এস এম ইমাম হাসান রমিত, ঢাকাস্থ গাইবান্ধা সমিতির সাধারণ সম্পাদক (ভারপ্রাপ্ত) শফিকুল ইসলাম বাবু, প্রকৌশলী রুহুল আমিন, ভালোবাসি গাইবান্ধার সিনিয়র সহ:সভাপতি খন্দকার আব্দুল্যাহেল কাফি, সহ:সভাপতি আব্দুল কুদ্দুছ, সাধারণ সম্পাদক রিজওয়ান আশরাফ এলিচ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম শাহিন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এসটি শাহীন, রায়হানুল ইসলাম আকন্দ, খন্দকার শরীফ মো. আরিফ ডিউক, অর্থ সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম সরকার, দপ্তর সম্পাদক সাইফুল ইসলাম, প্রকাশনা সম্পাদক ফয়জুল ইসলাম, ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক রাহুল ইসলাম বকুল, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক আসিফ ইবনে মোস্তাফিজ, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক শেখ জি আযম, মুক্তিযুদ্ধ ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক হযরত আলী শিমুল, ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক তৌফিকুল সোহেল, আইন বিষয়ক সম্পাদক সোহেল রানা, প্রশিক্ষণ ও গবেষণা সম্পাদক শফিকুল ইসলাম রিমন, সহ-সাংস্কৃতিক সম্পাদক মাসুদ আল হাসান ও নির্বাহী সদস্য আবুল হোসেনসহ সংগঠনের অন্যান্য সদস্যরা।
সভায় বক্তারা বলেন, অবিরাম বর্ষণে ও উজান থেকে নেমে আসা পানির প্রচন্ডচাপে গাইবান্ধার বেশ কয়েকটি বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ভেঙ্গে গেছে। প্লাবিত হয়েছে সাত উপজেলার ৪৯টি ইউনিয়ন ও দুইটি পৌরসভা। এতে প্রায় ছয় লাখ মানুষ পানিবন্দী হয়ে মানবেতর জীবন-যাপন করছে।
পানিবন্দি পরিবারগুলোর মধ্যে বিশুদ্ধ পানি, স্যানিটেশন এবং জ্বালানি উপকরণের সংকট রয়েছে। পানিবন্দি মানুষের মধ্যে দেখা দিয়েছে পানিবাহিত রোগ। পাশাপাশি ঘরবাড়ি ছেড়ে যাওয়া পরিবারগুলোকে ডাকাতের ভয়ে রাত জেগে পাহারা দিতে হচ্ছে। বন্যায় পানিতে ডুবে অনেকেই মারা গেছে। সড়ক, ব্রীজ ও রেলপথ ভেঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়েছে। মজুদকৃত খাদ্য নষ্ট হয়ে যাওয়ায় অনেকে অনাহারে-অর্ধাহারে দিনযাপন করছে। নদীভাঙ্গনের কবলে পড়ে লাখ লাখ মানুষ বসতভিটা হারিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে। সংবাদমাধ্যমে জানা গেছে, বন্যা আক্রান্ত লোকজনের তুলনায় সরকারি ত্রাণ সরবরাহ খুবই কম। তাই অবিলম্বে সরকারি ত্রাণ সাহায্য বাড়ানোর দাবি জানান ভালোবাসি গাইবান্ধা’র সদস্যরা।
বক্তারা আরও বলেন, গাইবান্ধায় নদীভাঙ্গনের ঘটনা নতুন নয়। নদীভাঙ্গনের কারণে এই এলাকার মানুষ এখনও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। তাই দেশের সার্বিক উন্নয়নে এই এলাকায় অবিলম্বে নদীভাঙ্গনরোধে কার্যকর ও স্থায়ী পদক্ষেপ গ্রহণ করা প্রয়োজন। তাই গাইবান্ধাবাসীর পক্ষ থেকে এই এলাকার নদীভাঙ্গনরোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য সরকারের কাছে দাবি করেন ভালোবাসি গাইবান্ধা’র সদস্যরা।

Leave a Reply


এই বিভাগের আরো

%d bloggers like this: