,


ড্যানিয়েল ভেট্টরি বাংলাদেশের স্পিন কোচ, পেস বোলিং কোচ ল্যাঙ্গেভেল্ট
ড্যানিয়েল ভেট্টরি বাংলাদেশের স্পিন কোচ, পেস বোলিং কোচ ল্যাঙ্গেভেল্ট

ড্যানিয়েল ভেট্টরি বাংলাদেশের স্পিন কোচ, পেস বোলিং কোচ ল্যাঙ্গেভেল্ট

ডেস্ক রিপোর্টারঃ বাংলাদেশ দলের স্পিন কোচ হিসেবে চূড়ান্ত হয়েছে ড্যানিয়েল ভেট্টরির নাম। আর পেস বোলিং কোচ হিসেবে আসবেন দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক কোচ চার্ল ল্যাঙ্গেভেল্ট।আর মিনহাজুল-হাবিবুলের নির্বাচক কমিটিই বহাল থাকছে
বিকেলে প্রায় তিন ঘণ্টার সভা শেষে সন্ধ্যায় বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান আনুষ্ঠানিকভাবে জানালেন কে হচ্ছেন বাংলাদেশ দলের স্পিন কোচ আর বোলিং কোচ । দুটিতেই বেশ চমক থাকল। স্পিন কোচ হিসেবে বাংলাদেশ দলে যোগ দিতে যাচ্ছেন নিউজিল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক ড্যানিয়েল ভেট্টরি। আর পেস বোলিং কোচ হিসেবে আসবেন দক্ষিণ আফ্রিকার চার্ল ল্যাঙ্গেভেল্ট।

ল্যাঙ্গেভেল্ট যোগ দেবেন শ্রীলঙ্কা সফরের পরেই। আর নভেম্বরে ভারত সিরিজের আগে স্পিনারদের দায়িত্ব নেবেন ভেট্টরি। সাবেক কিউই অধিনায়ক অবশ্য ১০০ দিনের জন্য কাজ করবেন বাংলাদেশ দলে। এর মধ্যে থাকবে ভারত সফর, এশিয়া কাপ, ২০২০ সালে নিউজিল্যান্ড সফর ও টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। ভেট্টরি প্রধান কোচ হিসেবে কাজ করেছেন আইপিএলের দল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর হয়ে। একই ভূমিকায় ছিলেন বিগ ব্যাশের দল ব্রিসবেন হিটেও।

সাবেক দক্ষিণ আফ্রিকার ফাস্ট বোলার ল্যাঙ্গেভেল্ট ২০০১ থেকে ২০১০—৯ বছরে ৮৭টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছেন। কদিন আগেও ছিলেন আফগানিস্তানের বোলিং কোচ। দক্ষিণ আফ্রিকার ফাস্ট বোলিং বিশেষজ্ঞ হিসেবেও তাঁর কাজ করার অভিজ্ঞতা আছে। ল্যাঙ্গেভেল্টের চুক্তিও ২০২০ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ পর্যন্ত। নতুন দুই কোচের যোগ দেওয়া প্রসঙ্গে বিসিবি সভাপতি বললেন, ‘দুজনই নিশ্চিত করেছে। তাদের সম্মতি নিয়ে নাম ঘোষণা করা হচ্ছে। ভেট্টরি এখন আমেরিকায় আছে। তার সঙ্গে কথা বলেই এটা ঘোষণা করা হচ্ছে। ব্যাটিং কোচ নিল ম্যাকেঞ্জি থেকে যাচ্ছে। বাকি থাকল প্রধান কোচ আর ফিজিও। কদিনের মধ্যে এ দুটি নিয়েও নির্দিষ্ট করে বলতে পারব।’

ক্রিকেট ইতিহাসের অন্যতম সেরা বাঁহাতি স্পিনার ভেট্টরিকে বাংলাদেশ দলের স্পিন কোচ করা সিদ্ধান্ত যথার্থ হলেও তাঁর মেয়াদ কেন ১০০ দিনের জন্য? বিসিবি সভাপতি বলছেন, যে সময়ের জন্যই আনা হোক, তাঁর কাছ থেকে সেরাটা নেওয়ার চেষ্টা থাকবে, ‘সে অনেক প্রাণবন্ত। এই সময়ে সে স্কিল ক্যাম্পে কাজ করব। নতুন খেলোয়াড় বের করে আনতে কাজ করবে।’

বাংলাদেশ দলের ধারাবাহিক বাজে ফিল্ডিংয়ে প্রশ্ন উঠেছে ফিল্ডিং কোচ রায়ান কুকের ভূমিকা নিয়েও। নাজমুল জানালেন, বিষয়টি ভাবাচ্ছে তাঁদেরও, ‘ফিল্ডিং কোচ নিয়ে কথা হয়েছে (সভায়)। আমাদের ধারণা ছিল ফিল্ডিং কোচ ভালো। বিশ্বকাপে আমাদের ফিল্ডিং নিয়ে মাথা ব্যথা ছিল। কালকের (শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজের প্রথম ওয়ানডে) ম্যাচের পর যেটা মনে হলো, এ রকম ফিল্ডিং কল্পনা করা যায় না! বল বা ব্যাটিং খারাপ করলে বাদ দিয়ে দিই খেলোয়াড়দের। ফিল্ডিং খারাপ করলে কিছু বলি না। আজ আমরা আলোচনা করেছি, ফিল্ডিংও ভালো হতে হবে। ফিল্ডিংয়ে ভালো না হলে জায়গা হবে না। সে (কুক) আসুক, জানতে চাইব বাংলাদেশ দলের ফিল্ডিংয়ের এই দশা কেন? তার জবাবটা পেয়ে নিই তারপর বাকি সিদ্ধান্ত।’

মিনহাজুল-হাবিবুলের নির্বাচক কমিটিই থাকছে
মিনহাজুল আবেদীন-হাবিবুল বাশারের নির্বাচক কমিটিকে এখনই ভাঙছে না বিসিবি। দুজনের মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে ২০২০ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ পর্যন্ত। তবে গত কদিনে জোর গুঞ্জন ছিল, এই নির্বাচক প্যানেলটা ভেঙে দেবে বিসিবি। কিন্তু তাঁদের জায়গায় যাঁদের নাম আসছিল, তাঁদের যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠায় বিসিবি চায়নি বিতর্কিত কেউ নির্বাচক হন। বিসিবি সভাপতি যদিও বলছেন, নির্বাচকদের পারফরম্যান্সে সন্তুষ্ট বলেই তাঁরা কমিটির মেয়াদ বাড়িয়েছেন।

Leave a Reply


এই বিভাগের আরো

সর্বশেষ

%d bloggers like this: