,


কুড়িগ্রাম (Kurigram)

নাগেশ্বরীতে অসহায় পরিবারের বসতভিটা উচ্ছেদের পায়তারা করছে প্রভাবশালী

নাগেশ্বরী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধিঃ কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে একটি অসহায় পরিবারের বসতভিটা উচ্ছেদের পায়তারা করার অভিযোগ উঠেছে একটি প্রভাবশালী মহলের বিরুদ্ধে। অভিযোগে জানা যায় উপজেলার নেওয়াশী ইউনিয়নের সুখাতি (জুগিটারী) এলাকার মোফাচ্ছেল সিদ্দিকীর ছেলে রুবেল সিদ্দিকী ১৫ শতক জমিতে বসতভিটা করে দির্ঘদিন যাবৎ বসবাস করে আসছে। কিন্তু তার চাচাত ভাই আনোয়ার হোসেন সিদ্দিকী, আরেক চাচা মোকাদ্দেস সিদ্দিকী ও এই চাচার ছেলে আবুল বাসার সিদ্দিকী ও জোবায়ের সিদ্দিকী তার বসতভিটা জবরদখলের উদ্দেশ্যে তাকে উচ্ছেদের জন্য নানাভাবে ক্ষয়ক্ষতি এবং হুমকী দিয়ে আসছে। সরেজমিনে দেখা গেছে রুবেল সিদ্দকীর বাড়িসংলগ্ন অভিযুক্ত আনোয়ার হোসেন সিদ্দিকীর একটি পুকুর রয়েছে যা দিন দিন ভেঙ্গে গিয়ে রুবেল সিদ্দিকীর বসতভিটার অনেকাংশে পুকুড়ে পড়ে গেছে। এভাবে ভাঙতে থাকলে পুরো বসতভিটা যেকোনো মুহূর্তে পুকুরেই বিলীন হয়ে যাবার আসঙ্কা রয়েছে। রুবেল সিদ্দিকীর রান্নাঘরসহ দুটি ঘরের অনেকাংশ পুকুরে ভেঙ্গে পড়েছে এবং কয়েকেটি গাছও হেলে পড়েছে। বিষয়টি পুকুর মালিকপক্ষকে কয়েকবার অবগত করলেও তারা এ ব্যাপারে কোনো ভ্রƒক্ষেপ করছেন না। রুবেল জানায় এলাকার লোকজনদের নিয়ে এ ব্যাপারে একাধিকবার বসা হয়েছে কিন্তু তারা কারও কথা মানছেন না। পুকুরে পাড় বাঁধার কথা আনোয়ারকে বললে সে বলে পুকুর বাঁধা হবে না। চাচা মোকাদ্দেস সিদ্দিকীকে বলতে গেলে তিনে বলেন পাড় বাঁধা হবে না, তোর কোন বাপ আছে ডেকে নিয়ে আয়। তার ছেলে জোবায়েরকে বললে সে বলে তোর বাড়ী ভেঙ্গে দিয়ে এলাকা থেকে বিতারিত করা হবে। বাশারের কাছে গেলে সে বলে ভেঙ্গে পড়–ক তারপর বাঁধা হবে। ভেঙ্গে যাওয়ার পর বলে তোর পুকর যে তুই বাঁধতে বলিশ?
এ ব্যাপারে আনোয়ার হোসেন সিদ্দিকীর মা ঝরনা বেওয়া বলেন আমি আমারে ছেলেকে অনেকবার পুকুর মেরামতের কথা বলেছি যাতে কারও ক্ষতি না হয়। কিন্তু ছোট ছেলে কথা মানলেও বড় ছেলে আনোয়ার মানছে না। কেন মানছে না আমার জানা নাই।
নেওয়াশী ইউপি চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন সরকারকে ফোন দিলে তিনি ব্যস্ত আছেন বলে লাইন কেটে দেন।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এবং ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী অফিসার আল-ইমরান বলেন লিখিত অখিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Leave a Reply


এই বিভাগের আরো

%d bloggers like this: