,


দুঃখ পেয়েছেন প্রসেনজিৎ
দুঃখ পেয়েছেন প্রসেনজিৎ

দুঃখ পেয়েছেন প্রসেনজিৎ

ডেস্ক রিপোর্টারঃ এমনটা ভাবতে পারেননি ভারতের বাংলা ছবির জনপ্রিয় তারকা প্রসেনজিৎ। তাঁকে না জানিয়েই এভাবে সরিয়ে দেওয়া হবে কলকাতার আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের চেয়ারম্যানের পদ থেকে। এটাও ভাবতে পারেননি, যাঁদের নিয়ে তাঁর চলা, তাঁরাও একবার জানালেন না! তাই খুব দুঃখ পেয়েছেন প্রসেনজিৎ।

ঐতিহ্যবাহী কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব এবার ২৫ বছরে পা রাখছে। এবার রজতজয়ন্তী বর্ষ ধুমধামের সঙ্গে উদ্‌যাপনের উদ্যোগ নিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকার। ১০ নভেম্বর শুরু হবে এই উৎসব। এবার নতুন করে ‘চলচ্চিত্র উৎসব কমিটি’ গঠন করা হয়েছে। সেই কমিটিতে প্রসেনজিৎকে সরিয়ে আনা হয়েছে চিত্র পরিচালক রাজ চক্রবর্তীকে। এই কমিটি বদলের আগে প্রসেনজিতের সঙ্গে কোনো কথা না বলায় দুঃখ পেয়েছেন এই তারকা। কলকাতার একটি টিভি চ্যানেলের সঙ্গে সাক্ষাৎকারে তিনি তেমনটাই বলেছেন।

প্রসেনজিৎ বলেছেন, ‘কলকাতার আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব অসম্ভব আবেগের জায়গা। ওখানে সিনেমা দেখে বড় হয়েছি। আজ মন খারাপের একটাই কারণ, কেউ একজন ফোন বা হোয়াটসঅ্যাপ বা এসএমএস করে আমাকে জানাতে পারত। তাই কষ্ট লেগেছে।’

প্রসেনজিতের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি সময় দিতে পারেন না। এই অভিযোগ স্বীকার করেছেন প্রসেনজিৎ। বললেন, ‘সময়ের সমস্যা আমার আছে ঠিকই, তবু আমি সময় বের করে নিই। এবার এই উৎসবের ২৫ বছর। এ নিয়ে আগে আনুষ্ঠানিক ও অনানুষ্ঠানিক বৈঠক হয়েছে। আমি প্রস্তাব দিয়েছিলাম, ২৫ বছরের উৎসবে পরিচালক গৌতম ঘোষ বা পরিচালক সন্দীপ রায়কে চেয়ারম্যান করা হোক। আমি না হয় পরের বছর থাকব। এ বছর আমি ছবি দেখব। সেখানে আমার সঙ্গে এমন ব্যবহার দুঃখের।’

এদিকে এই ঘটনার পর পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে আলোচিত হচ্ছে, বিজেপি নেতা মুকুল রায়ের সঙ্গে প্রসেনজিতের দেখা হওয়া আর আলোচনার জন্য এমন পরিণতি হয়েছে। প্রসেনজিৎ নিজেও তেমনটাই ইঙ্গিত করেছেন। তবে প্রসেনজিৎ বলেছেন, ‘বিমানে মুকুল রায়ের সঙ্গে দেখা হয়েছিল। সে কথা আমি নিজেই বলেছি। কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দল নয়, মানুষ হিসেবে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের কাছে যেতে পারি না? একটা মানুষের সঙ্গে দেখা হলে কথা বলব না? সত্যি বলতে, কোনো রাজনীতিবিদ আমাকে চাপ দেননি।

Leave a Reply


এই বিভাগের আরো

%d bloggers like this: