,


গোপালগঞ্জে বঙ্গবন্ধুর ৪৪তম শাহাদাৎ বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে গীতিনাট্য “মুজিব মানে মুক্তি” পরিবেশিত

গোপালগঞ্জে বঙ্গবন্ধুর ৪৪তম শাহাদাৎ বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে গীতিনাট্য “মুজিব মানে মুক্তি” পরিবেশিত

এম শিমুল খান, গোপালগঞ্জ : গোপালগঞ্জে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৪তম শাহাদাৎ বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে গীতিনাট্য “মুজিব মানে মুক্তি” পরিবেশিত হয়েছে। বুধবার গোপালগঞ্জ শহরের লেকপাড়ে অবস্থিত শেখ ফজলুল হক মণি অডিটরিয়ামে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৪তম শাহাদাৎ বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে জেলা শিল্পকলা একাডেমীর আয়োজনে ২৮ ও ২৯ আগষ্ট ২দিন ব্যাপী অনুষ্ঠানের প্রথম দিনে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমীর মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকীর গ্রন্থনা, পরিকল্পনা, সুর ও নির্দেশনায় গীতিনাট্য “মুজিব মানে মুক্তি” পরিবেশিত হয়েছে।
গীতিনাট্য শুরু হওয়ার পূর্বে বক্তব্য রাখেন, গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসক শাহিদা সুলতানা, গোপালগঞ্জ জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা চৌধূরী এমদাদুল হক এবং জেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব আলী খান।
বক্তারা বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাস লড়াই, সংগ্রামের ইতিহাস, আর প্রতিটি লড়াই, সংগ্রামের সাথে এদেশের শুদ্ধ সংস্কৃতির রয়েছে নিবিড় সম্পর্ক। গান, নাটক, গীতিনাট্য, কবিতা, নৃত্য প্রভৃতির মাধ্যমে সাধারণ মানুষের দেশপ্রেম জাগ্রত হয়েছে, অধিকার আদায়ের বাস্তবতা ও প্রয়োজনীয়তাকে মানুষ অন্তরে ধারণ করেছে, সচেতন হয়েছে। আজকের স্বাধীন বাংলাদেশ অর্জিত হওয়ার সাথে এসব সংস্কৃতির বড় ধরণের ভুমিকা রয়েছে। বাংলাদেশ এবং বঙ্গবন্ধু এক ও অভিন্ন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলন সহ বিভিন্ন আন্দোলন, সংগ্রামে বঙ্গবন্ধুর ভূমিকা সংস্কৃতির বিভিন্ন মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে, মুজিব মানে মুক্তি সেরকমই একটা গীতিনাট্য।
বক্তারা উপস্থিত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে আরো বলেন, এদেশের শুদ্ধ সংস্কৃতি অনুশীলন করে ভালো মানুষ হতে হবে, দেশের স্বার্থে নিবেদিত হতে হবে, পাশাপাশি অপসংস্কৃতি থেকে দূরে থাকতে হবে। মুজিব মানে মুক্তি” গীতিনাট্যে শহরের বিভিন্ন স্কুল, কলেজে পড়–য়া ৩৬ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে।

(

Leave a Reply


এই বিভাগের আরো

%d bloggers like this: